পচা মাছ তাজা বলে বক্রি!

পচা মাছ তাজা বলে বক্রি!


ঢাকা অফিস: রাজধানীর বাজারে তাজা বলে পচা মাছ বক্রিি হচ্ছে দদোরস। মতঝিলি এলাকায় বকিলেরে ফুটপাতরে বাজারইে এ ধরনরে মাছরে বচো-কনো বশেি হচ্ছ। সরকার-িবসেরকারি চাকরজিীবীসহ ক্রতোদরে চোখে ধুলো দয়িে এ ধরনরে ব্যবসা করছনে অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা।

আর এ মাছ কনিে বাসায় ফরিে অনকেইে বপিাকে পড়ে যাচ্ছনে।

সোমবার (১৮ এপ্রলি) সরজেমনিে গলেে সাধারণ বমিা অফসিরে গাড়চিালক সাইফুল , এখান থকেে মাছ কনিে ঠকতে হয়ছে।  বাসায় ফিরে স্ত্রীর কাছে অনকে কথাও শুনতে হয়ছে। এখানকার মাছ ব্যবসায়ীরা ধোঁকাবাজ বলওে মন্তব্য করনে তনি।

বক্রিতোরা সকালে বক্রিি না হওয়া আগরে দনিরে মাছ তাজা অথবা আজকরে অথবা নদীর মাছ বলে বভিন্নি কৌশলে ক্রতোদরে হাতে তুলে দচ্ছিনে বলে অভযিোগ করনে সাইফুল।

ফুটপাতরে বাজারটরি ক্রতো ও বক্রিতোদরে সঙ্গে আলাপে জানা গছে,ে অফসি-আদালত ছুটরি ঘণ্টা দু’এক আগে থকেইে মাছ নয়িে সড়করে ওপরে বসা শুরু হয় মাছ ব্যবসায়ীদরে। প্রতদিনি বকিলেইে জমে ওঠে এ বাজার। এখানে মাছ ছাড়াও হাঁস-মুরগ, ফল-ফলাদি ও কাঁচা বাজার বসে নয়িমতি। সরকার-িবসেরকারি অফসিরে চাকুররো অফসি ছুটরি পর বাসায় যাওয়ার পথে বাজার করনে এখান থকে।

বশেরিভাগ চাকরজিীবী মানুষই এখান থকেে মাছ, তর-িতরকার, ফল-ফলাদি কনিে বাসায় নয়িে যান।

আর এ সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা আগরে দনিরে বভিন্নি পদরে মাছ মলিয়িে পাঁচমশিালি তরৈি করে বলে থাকনে, ‘তাজা মাছ, কবেল নয়িে এলাম’।

ক্রতোদরে অভযিোগ, বক্রিতোদরে কউে বলনে, পদ্মার মাছ, কউে বলনে, ভরৈবরে মাছ, কউে বলনে, সলিটেরে হাওররে মাছ, কউে বলনে, মঘেনা ঘাটরে মাছ। চাষরে পাঙ্গাস মাছ নদীর বলওে ক্রতোদরে ধোঁকা দচ্ছিনে তারা।

মাছ ব্যবসায়ী কাদরেরে বাড়ি ভরৈব।ে তনিি বাংলানউিজকে বলনে, ‘তাজা মাছ না বললে স্যার কউেই কনিবনে না। আমাদরে না খয়েে মরতে হবে’।

মাছ ব্যবসায়ী আশরাফরে বাড়ি নরসংদীত। তনিি বলনে, তার মাছ সব নদী ও বলিরে। আজকইে ধরে এনছেনে। অন্য একজন বললনে, তার মাছ সলিটেরে হাওররে মাছ।

এখানকার মাছ বক্রিতোদরে সকলরেই একই কথা।

তবে একজনরে কাছে পাওয়া গছেে আসল চত্রি। তার নাম রহমি। থাকনে যাত্রাবাড়ী, গ্রামরে বাড়ি কুষ্টয়িা। র্দীঘদনি মাছরে ব্যবসার সঙ্গে জড়তি। যাত্রাবাড়ীর কাঁচা বাজারে তার একটি মাছরে দোকান আছ।
রহমি বলনে, ‘এসব মাছ কারওয়ানবাজার, যাত্রাবাড়ী, সোয়ারঘিাট ও উত্তরা থকেে কনো। এখানে যারা মাছ  বিক্রি করছনে, তাদরে সকলরেই বভিন্নি মহল্লার বাজারে মাছরে দোকান আছ। সকালে সবাই মাছ বিক্রি করে থাকনে। সকালে যে মাছ বিক্রি করতে পারনে  না, তা বরফ দয়িে রাখা হয়। এরপর এখানে এনে বভিন্নিভাবে ছোট-বড় মাছ মশিয়িে পাঁচমশিালি তরৈি করে নদীর মাছ বলে বক্রিি করনে তারা’।
 
ক্রতোদরে অভযিোগ, এ অন্যায় বুঝওে এসব ব্যবসায়ীদরে কউে কছিু বলতে পারনে না। কারণ, তারা বড় সঙ্ঘবদ্ধ। তাদরে সখ্যতা আছে পুলশি প্রশাসন ও স্থানীয় সন্ত্রাসীদরে সঙ্গ। নয়িমতি চাঁদা দনে বলওে জানান একজন মাছ ব্যবসায়ী।